“সিন্ডিকেট ভেঙে দেবো, এ মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি হতে পারবে না”—স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম ও সিন্ডিকেট ভাঙার কঠোর বার্তা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে প্রথমদিন যোগদান করে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিন্ডিকেট ভেঙে দেবো। এই মন্ত্রণালয়ে কোনও দুর্নীতি হতে পারবে না। কারও চাপে কোনও কাজ হবে না। মানুষের কল্যাণে কাজ করবো।”
দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্যখাতের অঙ্গীকার
মন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করাই তার প্রধান অগ্রাধিকার। দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ ক্রয়, চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ, নিয়োগ ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে—সেই প্রেক্ষাপটে তার এই ঘোষণা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তিনি বলেন, কোনো প্রভাবশালী মহল বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর চাপ গ্রহণ করা হবে না। নিয়ম-নীতি অনুসারেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘সিন্ডিকেট’ ইস্যুতে কঠোর অবস্থান
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে আসে ‘সিন্ডিকেট’ শব্দটি। স্বাস্থ্য খাতে ওষুধ, যন্ত্রপাতি ও বিভিন্ন সেবায় একচেটিয়া প্রভাব বিস্তারকারী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। তিনি জানান, এসব সিন্ডিকেট ভেঙে প্রতিযোগিতামূলক ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।
তার ভাষায়, “জনগণের টাকায় পরিচালিত এই মন্ত্রণালয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবো।”
সেবার মানোন্নয়নে অগ্রাধিকার
মন্ত্রী আরও বলেন, শুধু দুর্নীতি দমন নয়—সরকারি হাসপাতালগুলোর সেবার মান বাড়ানো, ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য করাও তার লক্ষ্য।
স্বাস্থ্যখাত বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘোষণার পাশাপাশি বাস্তবায়নই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। তাই নতুন মন্ত্রীর বক্তব্য এখন নজর কাড়লেও কার্যকর পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে আছে দেশবাসী।
স্বাস্থ্যসেবা দেশের মৌলিক অধিকারগুলোর একটি। সেই সেবাকে দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই দৃঢ় অবস্থান কতটা ফলপ্রসূ হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
“সিন্ডিকেট ভেঙে দেবো, এ মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি হতে পারবে না”—স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম ও সিন্ডিকেট ভাঙার কঠোর বার্তা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে প্রথমদিন যোগদান করে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিন্ডিকেট ভেঙে দেবো। এই মন্ত্রণালয়ে কোনও দুর্নীতি হতে পারবে না। কারও চাপে কোনও কাজ হবে না। মানুষের কল্যাণে কাজ করবো।”
দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্যখাতের অঙ্গীকার
মন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করাই তার প্রধান অগ্রাধিকার। দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ ক্রয়, চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ, নিয়োগ ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে—সেই প্রেক্ষাপটে তার এই ঘোষণা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তিনি বলেন, কোনো প্রভাবশালী মহল বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর চাপ গ্রহণ করা হবে না। নিয়ম-নীতি অনুসারেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘সিন্ডিকেট’ ইস্যুতে কঠোর অবস্থান
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে আসে ‘সিন্ডিকেট’ শব্দটি। স্বাস্থ্য খাতে ওষুধ, যন্ত্রপাতি ও বিভিন্ন সেবায় একচেটিয়া প্রভাব বিস্তারকারী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। তিনি জানান, এসব সিন্ডিকেট ভেঙে প্রতিযোগিতামূলক ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।
তার ভাষায়, “জনগণের টাকায় পরিচালিত এই মন্ত্রণালয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবো।”
সেবার মানোন্নয়নে অগ্রাধিকার
মন্ত্রী আরও বলেন, শুধু দুর্নীতি দমন নয়—সরকারি হাসপাতালগুলোর সেবার মান বাড়ানো, ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য করাও তার লক্ষ্য।
স্বাস্থ্যখাত বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘোষণার পাশাপাশি বাস্তবায়নই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। তাই নতুন মন্ত্রীর বক্তব্য এখন নজর কাড়লেও কার্যকর পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে আছে দেশবাসী।
স্বাস্থ্যসেবা দেশের মৌলিক অধিকারগুলোর একটি। সেই সেবাকে দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই দৃঢ় অবস্থান কতটা ফলপ্রসূ হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন