রমজানকে সামনে রেখে সাহরি, ইফতার ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর। তিনি জানান, রমজান মাসে জনভোগান্তি এড়াতে সরকার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় বিশেষ নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সাহরি ও ইফতারের সময় দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। একইভাবে তারাবির সময় মসজিদ ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগকে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য লোডশেডিং এড়াতে উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় সমন্বয় জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখতে বলেন। তিনি জানান, রমজান মাসে ধর্মীয় অনুশীলন নির্বিঘ্ন রাখতে বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন যেন না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর মনিটরিং থাকবে।
এছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ দ্রুত শেষ করা, জরুরি বিকল্প সরবরাহ প্রস্তুত রাখা এবং মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা যায়।
সরকারের এ নির্দেশনায় রমজানজুড়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রমজানকে সামনে রেখে সাহরি, ইফতার ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর। তিনি জানান, রমজান মাসে জনভোগান্তি এড়াতে সরকার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় বিশেষ নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সাহরি ও ইফতারের সময় দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। একইভাবে তারাবির সময় মসজিদ ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগকে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য লোডশেডিং এড়াতে উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় সমন্বয় জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখতে বলেন। তিনি জানান, রমজান মাসে ধর্মীয় অনুশীলন নির্বিঘ্ন রাখতে বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন যেন না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর মনিটরিং থাকবে।
এছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ দ্রুত শেষ করা, জরুরি বিকল্প সরবরাহ প্রস্তুত রাখা এবং মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা যায়।
সরকারের এ নির্দেশনায় রমজানজুড়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন