প্রশ্নফাঁস ও বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন নিয়ে বার্তা দিলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ আর রাখা হবে না। অতীতে দায়িত্ব পালনকালে যেমন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, এবারও কঠোর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর অবস্থান
মন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অসাধু চক্র সক্রিয় হওয়ার যে অভিযোগ রয়েছে, তা নির্মূলে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন থেকে শুরু করে বিতরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নজরদারি জোরদার করা হবে। প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী করা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, গুজব বা ভুয়া প্রশ্নপত্রের প্রলোভনে পা না দিতে। কোনো ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা
সংবাদ সম্মেলনে বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা নিয়েও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ও সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। এ খাতে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে একটি সমন্বিত পর্যালোচনা চলছে।
মন্ত্রী বলেন, “শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের আর্থিক ও পেশাগত নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের ন্যায্য দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা
শিক্ষা খাতে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, শুধু আইন করলেই হবে না—বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও শিক্ষা বোর্ডকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে স্থিতিশীল ও আস্থাশীল করতে বদ্ধপরিকর—এমন আশ্বাস দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “পরীক্ষা হবে সুষ্ঠু, ফলাফল হবে বিশ্বাসযোগ্য—এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রশ্নফাঁস ও বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন নিয়ে বার্তা দিলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ আর রাখা হবে না। অতীতে দায়িত্ব পালনকালে যেমন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, এবারও কঠোর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর অবস্থান
মন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অসাধু চক্র সক্রিয় হওয়ার যে অভিযোগ রয়েছে, তা নির্মূলে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন থেকে শুরু করে বিতরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নজরদারি জোরদার করা হবে। প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী করা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, গুজব বা ভুয়া প্রশ্নপত্রের প্রলোভনে পা না দিতে। কোনো ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা
সংবাদ সম্মেলনে বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা নিয়েও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ও সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। এ খাতে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে একটি সমন্বিত পর্যালোচনা চলছে।
মন্ত্রী বলেন, “শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের আর্থিক ও পেশাগত নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের ন্যায্য দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা
শিক্ষা খাতে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, শুধু আইন করলেই হবে না—বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও শিক্ষা বোর্ডকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে স্থিতিশীল ও আস্থাশীল করতে বদ্ধপরিকর—এমন আশ্বাস দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “পরীক্ষা হবে সুষ্ঠু, ফলাফল হবে বিশ্বাসযোগ্য—এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা

আপনার মতামত লিখুন