রমজান মাস ও আসন্ন তীব্র গরমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করাকে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি, উৎপাদন সক্ষমতা ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, রমজান মাসে ইফতার ও সেহরির সময় বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। একই সময়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় গরমকালেও বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে। ফলে এই দুই সময় একসঙ্গে পড়লে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়।
মন্ত্রী আরও জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা সচল রাখা, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের ত্রুটি না থাকাই এখন প্রধান লক্ষ্য। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, লোডশেডিং কমিয়ে আনতে এবং গ্রাহকদের ভোগান্তি হ্রাস করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হবে।
সরকারের লক্ষ্য—রমজান ও গ্রীষ্ম মৌসুমে জনগণ যেন স্বস্তিতে ইবাদত ও দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাতে পারে, সে জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রমজান মাস ও আসন্ন তীব্র গরমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করাকে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি, উৎপাদন সক্ষমতা ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, রমজান মাসে ইফতার ও সেহরির সময় বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। একই সময়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় গরমকালেও বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে। ফলে এই দুই সময় একসঙ্গে পড়লে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়।
মন্ত্রী আরও জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা সচল রাখা, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের ত্রুটি না থাকাই এখন প্রধান লক্ষ্য। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, লোডশেডিং কমিয়ে আনতে এবং গ্রাহকদের ভোগান্তি হ্রাস করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হবে।
সরকারের লক্ষ্য—রমজান ও গ্রীষ্ম মৌসুমে জনগণ যেন স্বস্তিতে ইবাদত ও দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাতে পারে, সে জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন