তারাগঞ্জে সাংবাদিককে ইউএনও: “আপনার যা ক্ষমতা আছে লেখেন
রংপুর-২ আসনের তারাগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের সম্মানি থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে জনপ্রতি ২০০ টাকা করে কর্তনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন–এর বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, সাম্প্রতিক সংসদ নির্বাচনে তারাগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মোট ৪৩টি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁদের প্রাপ্য সম্মানি থেকে প্রত্যেকের ২০০ টাকা করে কেটে রাখা হয়েছে। তবে এ কর্তনের কোনো লিখিত আদেশ বা সরকারি নির্দেশনার কপি সংশ্লিষ্টদের দেখানো হয়নি বলে দাবি করেছেন কয়েকজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিক ইউএনও’র কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, “আপনার যা ক্ষমতা আছে লেখেন। আমার বিরুদ্ধে যা পারেন করেন। লোকজন দিয়ে মানববন্ধন করানোর ব্যবস্থা করেন।”
ইউএনও’র এমন বক্তব্যে প্রশাসনিক শিষ্টাচার ও গণমাধ্যমের প্রতি আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, অভিযোগের বিষয়ে তথ্য জানার অধিকার রয়েছে গণমাধ্যমের। প্রশাসনের দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের বক্তব্য অনাকাঙ্ক্ষিত।
অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, সম্মানির অর্থ থেকে কর্তনের বিষয়টি তাঁদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে।
এদিকে, বিষয়টি তদন্তের দাবি উঠেছে স্থানীয় মহলে। অভিযোগ সত্য হলে তা নির্বাচনি বিধি ও সরকারি আর্থিক নীতিমালার পরিপন্থি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তারাগঞ্জে সাংবাদিককে ইউএনও: “আপনার যা ক্ষমতা আছে লেখেন
রংপুর-২ আসনের তারাগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের সম্মানি থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে জনপ্রতি ২০০ টাকা করে কর্তনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন–এর বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, সাম্প্রতিক সংসদ নির্বাচনে তারাগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মোট ৪৩টি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁদের প্রাপ্য সম্মানি থেকে প্রত্যেকের ২০০ টাকা করে কেটে রাখা হয়েছে। তবে এ কর্তনের কোনো লিখিত আদেশ বা সরকারি নির্দেশনার কপি সংশ্লিষ্টদের দেখানো হয়নি বলে দাবি করেছেন কয়েকজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিক ইউএনও’র কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, “আপনার যা ক্ষমতা আছে লেখেন। আমার বিরুদ্ধে যা পারেন করেন। লোকজন দিয়ে মানববন্ধন করানোর ব্যবস্থা করেন।”
ইউএনও’র এমন বক্তব্যে প্রশাসনিক শিষ্টাচার ও গণমাধ্যমের প্রতি আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, অভিযোগের বিষয়ে তথ্য জানার অধিকার রয়েছে গণমাধ্যমের। প্রশাসনের দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের বক্তব্য অনাকাঙ্ক্ষিত।
অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, সম্মানির অর্থ থেকে কর্তনের বিষয়টি তাঁদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে।
এদিকে, বিষয়টি তদন্তের দাবি উঠেছে স্থানীয় মহলে। অভিযোগ সত্য হলে তা নির্বাচনি বিধি ও সরকারি আর্থিক নীতিমালার পরিপন্থি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন