মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে না যাওয়ার পেছনে রাজনৈতিক অবস্থানকেই কারণ হিসেবে দেখিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দলের আমির ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকারি দল সংস্কারের শপথ না নিয়ে ‘জুলাই চেতনা’কে উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জনগণের প্রত্যাশা ছিল রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কিন্তু সরকার সে বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি না দেওয়ায় তারা মনে করছেন—এটি জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীত অবস্থান।
মঙ্গলবার জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের এমপিদের শপথ গ্রহণের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, সংস্কার প্রশ্নে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার না হওয়ায় দলীয়ভাবে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মূল বক্তব্য সংক্ষেপে:
সরকার সংস্কার এজেন্ডায় শপথ নেয়নি—এ অভিযোগ জামায়াতের।
‘জুলাই চেতনা’ উপেক্ষিত হয়েছে—এমন দাবি তাদের।
জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীতে সরকারের অবস্থান—এ মন্তব্য বিরোধীদলীয় নেতার।
এই কারণেই তারা শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেয়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত সরকার ও বিরোধীদলের মধ্যে সংস্কার ইস্যুকে ঘিরে অবস্থানগত দূরত্বের প্রকাশ। সামনে সংসদে এই ইস্যু আরও জোরালোভাবে আলোচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে না যাওয়ার পেছনে রাজনৈতিক অবস্থানকেই কারণ হিসেবে দেখিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দলের আমির ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকারি দল সংস্কারের শপথ না নিয়ে ‘জুলাই চেতনা’কে উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জনগণের প্রত্যাশা ছিল রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কিন্তু সরকার সে বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি না দেওয়ায় তারা মনে করছেন—এটি জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীত অবস্থান।
মঙ্গলবার জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের এমপিদের শপথ গ্রহণের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, সংস্কার প্রশ্নে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার না হওয়ায় দলীয়ভাবে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মূল বক্তব্য সংক্ষেপে:
সরকার সংস্কার এজেন্ডায় শপথ নেয়নি—এ অভিযোগ জামায়াতের।
‘জুলাই চেতনা’ উপেক্ষিত হয়েছে—এমন দাবি তাদের।
জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীতে সরকারের অবস্থান—এ মন্তব্য বিরোধীদলীয় নেতার।
এই কারণেই তারা শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেয়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত সরকার ও বিরোধীদলের মধ্যে সংস্কার ইস্যুকে ঘিরে অবস্থানগত দূরত্বের প্রকাশ। সামনে সংসদে এই ইস্যু আরও জোরালোভাবে আলোচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন