মানিকগঞ্জ-এ পবিত্র রমজানকে স্বাগত জানিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় মানিকগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা-র উদ্যোগে আয়োজিত এই র্যালিতে অংশ নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মঙ্গলবার সকালেই মাদ্রাসা ক্যাম্পাস থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়। ব্যানার, ফেস্টুন ও রমজানের তাৎপর্যবাহী বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে অংশগ্রহণকারীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরে শোভাযাত্রাটি পুনরায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এসে সমাপ্ত হয়।
আয়োজকরা জানান, রমজান শুধু সংযমের মাসই নয়, এটি আত্মশুদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করারও সময়। তাই মাহে রমজানের পবিত্রতা অক্ষুণ্ণ রাখা এবং সমাজে নৈতিকতা চর্চার আহ্বান জানাতেই এ আয়োজন। র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
শোভাযাত্রার সময় শহরে এক ধরনের ধর্মীয় আবহ তৈরি হয়, যা সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পথচারীরাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং পবিত্র মাসকে যথাযথ মর্যাদায় পালনের আহ্বানের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং মাহে রমজানের চেতনা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়বে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মানিকগঞ্জ-এ পবিত্র রমজানকে স্বাগত জানিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় মানিকগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা-র উদ্যোগে আয়োজিত এই র্যালিতে অংশ নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মঙ্গলবার সকালেই মাদ্রাসা ক্যাম্পাস থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়। ব্যানার, ফেস্টুন ও রমজানের তাৎপর্যবাহী বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে অংশগ্রহণকারীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরে শোভাযাত্রাটি পুনরায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এসে সমাপ্ত হয়।
আয়োজকরা জানান, রমজান শুধু সংযমের মাসই নয়, এটি আত্মশুদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করারও সময়। তাই মাহে রমজানের পবিত্রতা অক্ষুণ্ণ রাখা এবং সমাজে নৈতিকতা চর্চার আহ্বান জানাতেই এ আয়োজন। র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
শোভাযাত্রার সময় শহরে এক ধরনের ধর্মীয় আবহ তৈরি হয়, যা সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পথচারীরাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং পবিত্র মাসকে যথাযথ মর্যাদায় পালনের আহ্বানের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং মাহে রমজানের চেতনা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন