শপথের পরই তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত
জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের পরপরই সংসদীয় দলের সভায় তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন নেতৃত্বে শুরু হলো।
সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হয়। শপথ অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি’র সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান নিজেই। দলীয় সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের প্রেক্ষাপটে সংসদীয় দলের সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে তাকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করেন।
সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় সংসদ নেতা নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়েই তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পথ সুগম হয়।
দীর্ঘ ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের পর অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে পুনরায় নির্বাচিত সরকারের যাত্রা শুরু হলো। নতুন সরকারের সামনে রয়েছে অর্থনীতি পুনর্গঠন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারের মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা সরকারকে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে শক্ত অবস্থান দেবে। তবে একই সঙ্গে বিরোধী দলের কার্যকর ভূমিকা এবং সংসদে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।
নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজধানীজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। দলীয় নেতাকর্মীরা এ দিনকে ‘নতুন সূচনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এখন দৃষ্টি থাকবে মন্ত্রিসভা গঠন ও সরকারের প্রথম দিকনির্দেশনার দিকে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শপথের পরই তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত
জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের পরপরই সংসদীয় দলের সভায় তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন নেতৃত্বে শুরু হলো।
সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হয়। শপথ অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপি’র সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান নিজেই। দলীয় সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের প্রেক্ষাপটে সংসদীয় দলের সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে তাকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করেন।
সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় সংসদ নেতা নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়েই তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পথ সুগম হয়।
দীর্ঘ ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের পর অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে পুনরায় নির্বাচিত সরকারের যাত্রা শুরু হলো। নতুন সরকারের সামনে রয়েছে অর্থনীতি পুনর্গঠন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারের মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা সরকারকে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে শক্ত অবস্থান দেবে। তবে একই সঙ্গে বিরোধী দলের কার্যকর ভূমিকা এবং সংসদে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।
নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজধানীজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। দলীয় নেতাকর্মীরা এ দিনকে ‘নতুন সূচনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এখন দৃষ্টি থাকবে মন্ত্রিসভা গঠন ও সরকারের প্রথম দিকনির্দেশনার দিকে।

আপনার মতামত লিখুন