কোথায় সফল, কোথায় ব্যর্থ—তার মূল্যায়ন জনগণই করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে একটি উৎসবমুখর, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা ভবিষ্যতের নির্বাচনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
ড. ইউনূস বলেন, এই নির্বাচন আয়োজন ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক অস্থিরতা, অবিশ্বাস এবং দীর্ঘদিনের নির্বাচনসংক্রান্ত বিতর্কের প্রেক্ষাপটে সরকার একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছে। তিনি দাবি করেন, জনগণ, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থার বহিঃপ্রকাশ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তবে তিনি স্বীকার করেন, একটি বড় জাতীয় আয়োজন হিসেবে এই নির্বাচনেরও সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। “কোথায় সফল, কোথায় ব্যর্থ—তার চূড়ান্ত মূল্যায়ন করবে জনগণ,” বলেন তিনি।
ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা নিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী ও স্বচ্ছ করার প্রতিশ্রুতিও দেন প্রধান উপদেষ্টা। তাঁর ভাষণে জাতীয় ঐক্য, রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কোথায় সফল, কোথায় ব্যর্থ—তার মূল্যায়ন জনগণই করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে একটি উৎসবমুখর, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা ভবিষ্যতের নির্বাচনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
ড. ইউনূস বলেন, এই নির্বাচন আয়োজন ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক অস্থিরতা, অবিশ্বাস এবং দীর্ঘদিনের নির্বাচনসংক্রান্ত বিতর্কের প্রেক্ষাপটে সরকার একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছে। তিনি দাবি করেন, জনগণ, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থার বহিঃপ্রকাশ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তবে তিনি স্বীকার করেন, একটি বড় জাতীয় আয়োজন হিসেবে এই নির্বাচনেরও সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। “কোথায় সফল, কোথায় ব্যর্থ—তার চূড়ান্ত মূল্যায়ন করবে জনগণ,” বলেন তিনি।
ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা নিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী ও স্বচ্ছ করার প্রতিশ্রুতিও দেন প্রধান উপদেষ্টা। তাঁর ভাষণে জাতীয় ঐক্য, রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন