বরিশালের বানারীপাড়ায় চাঁদা না পেয়ে এক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে ইউনিয়ন যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) যুবদলের কেন্দ্রীয় দপ্তরের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলীয় আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা। তিনি জানান, অভিযোগের বিষয়ে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কেন্দ্র থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলায় এক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়। দাবি করা অর্থ না পাওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষায় দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
এ ঘটনায় আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা—সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরিশালের বানারীপাড়ায় চাঁদা না পেয়ে এক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে ইউনিয়ন যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) যুবদলের কেন্দ্রীয় দপ্তরের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলীয় আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা। তিনি জানান, অভিযোগের বিষয়ে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কেন্দ্র থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলায় এক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়। দাবি করা অর্থ না পাওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষায় দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
এ ঘটনায় আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা—সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন