ইসি, নতুন সরকার ও বিএনপির প্রতি বিশেষ আহ্বান জামায়াত আমিরের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নির্বাচন কমিশন (ইসি), আসন্ন নতুন সরকার, দল হিসেবে বিএনপি এবং বাহিনীর প্রতি কয়েকটি বিশেষ আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির হিসেবে তিনি বলেন, দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। এ অবস্থায় সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
তার পোস্টে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের যেসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন বা অভিযোগ রয়েছে, সেগুলো নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রাখা কমিশনের দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আসন্ন নতুন সরকারের প্রতি আহ্বানে তিনি বলেন, দেশ পরিচালনায় যেন প্রতিহিংসা বা বিভাজনের রাজনীতি স্থান না পায়। জনগণের ভোট ও প্রত্যাশার প্রতি সম্মান রেখে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কল্যাণমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতি তিনি আহ্বান জানান, জাতীয় স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে রাজনৈতিক সৌজন্য ও সহনশীলতা বজায় রাখতে। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সব রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।
একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি তার আহ্বান—নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও মানবাধিকার রক্ষার নীতিতে অবিচল থাকা। যেন কোনোভাবেই সাধারণ মানুষ হয়রানি বা আতঙ্কের শিকার না হন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান তিনি।
তার পোস্টের শেষাংশে দেশবাসীর উদ্দেশে শান্তি, সংযম ও ঐক্যের বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভিন্নমত থাকলেও জাতীয় স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। গণতন্ত্রের চর্চা ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সব পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণই সময়ের দাবি।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসি, নতুন সরকার ও বিএনপির প্রতি বিশেষ আহ্বান জামায়াত আমিরের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নির্বাচন কমিশন (ইসি), আসন্ন নতুন সরকার, দল হিসেবে বিএনপি এবং বাহিনীর প্রতি কয়েকটি বিশেষ আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির হিসেবে তিনি বলেন, দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। এ অবস্থায় সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
তার পোস্টে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের যেসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন বা অভিযোগ রয়েছে, সেগুলো নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রাখা কমিশনের দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আসন্ন নতুন সরকারের প্রতি আহ্বানে তিনি বলেন, দেশ পরিচালনায় যেন প্রতিহিংসা বা বিভাজনের রাজনীতি স্থান না পায়। জনগণের ভোট ও প্রত্যাশার প্রতি সম্মান রেখে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কল্যাণমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতি তিনি আহ্বান জানান, জাতীয় স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে রাজনৈতিক সৌজন্য ও সহনশীলতা বজায় রাখতে। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সব রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।
একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি তার আহ্বান—নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও মানবাধিকার রক্ষার নীতিতে অবিচল থাকা। যেন কোনোভাবেই সাধারণ মানুষ হয়রানি বা আতঙ্কের শিকার না হন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান তিনি।
তার পোস্টের শেষাংশে দেশবাসীর উদ্দেশে শান্তি, সংযম ও ঐক্যের বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভিন্নমত থাকলেও জাতীয় স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। গণতন্ত্রের চর্চা ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সব পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণই সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন