ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী নতুন সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আয়োজনটি সম্পন্ন করতে শুক্রবার দিনভর সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একাধিক বৈঠক করেছেন।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনে। নবনির্বাচিত এমপিদের উপস্থিতি, আসন বিন্যাস, আমন্ত্রণপত্র বিতরণ এবং মিডিয়া কাভারেজ—সবকিছু সমন্বয় করে একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বৈঠকে প্রোটোকল সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। কে কখন প্রবেশ করবেন, শপথের ক্রম কী হবে, অতিথিদের বসার ব্যবস্থা কেমন হবে—এসব খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। শপথ পাঠ করাবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। সংবিধান অনুযায়ী, শপথগ্রহণের মাধ্যমেই নবনির্বাচিত সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হচ্ছে। সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন থাকবে। প্রবেশপথে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা তল্লাশি, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং ভিআইপি মুভমেন্ট ব্যবস্থাপনায় বিশেষ সমন্বয় টিম কাজ করবে।
এছাড়া নতুন এমপিদের জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট—যেমন পরিচয়পত্র প্রস্তুত, অস্থায়ী কার্যালয় বরাদ্দ, তথ্য সহায়তা ডেস্ক এবং সচিবালয়ের বিভিন্ন শাখার সমন্বয় কার্যক্রমও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শপথের দিন যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা বিলম্ব না ঘটে, সেজন্য রিহার্সাল আয়োজনের কথাও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাই আয়োজনটি মর্যাদাপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
নতুন সংসদের যাত্রা শুরু ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। শপথগ্রহণের মধ্য দিয়েই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী নতুন সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আয়োজনটি সম্পন্ন করতে শুক্রবার দিনভর সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একাধিক বৈঠক করেছেন।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনে। নবনির্বাচিত এমপিদের উপস্থিতি, আসন বিন্যাস, আমন্ত্রণপত্র বিতরণ এবং মিডিয়া কাভারেজ—সবকিছু সমন্বয় করে একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বৈঠকে প্রোটোকল সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। কে কখন প্রবেশ করবেন, শপথের ক্রম কী হবে, অতিথিদের বসার ব্যবস্থা কেমন হবে—এসব খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। শপথ পাঠ করাবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। সংবিধান অনুযায়ী, শপথগ্রহণের মাধ্যমেই নবনির্বাচিত সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হচ্ছে। সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন থাকবে। প্রবেশপথে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা তল্লাশি, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং ভিআইপি মুভমেন্ট ব্যবস্থাপনায় বিশেষ সমন্বয় টিম কাজ করবে।
এছাড়া নতুন এমপিদের জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট—যেমন পরিচয়পত্র প্রস্তুত, অস্থায়ী কার্যালয় বরাদ্দ, তথ্য সহায়তা ডেস্ক এবং সচিবালয়ের বিভিন্ন শাখার সমন্বয় কার্যক্রমও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শপথের দিন যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা বিলম্ব না ঘটে, সেজন্য রিহার্সাল আয়োজনের কথাও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাই আয়োজনটি মর্যাদাপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
নতুন সংসদের যাত্রা শুরু ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। শপথগ্রহণের মধ্য দিয়েই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন