কুমিল্লা-৪ আসনে ভোট বর্জন জসীম উদ্দিনের
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা জসীম উদ্দিন বৃহস্পতিবার নির্বাচনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়ায় যথাযথ স্বচ্ছতা না থাকার কারণে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষপাতী নন।
জসীম উদ্দিন বলেন, “নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ নেই, তাই আমি ভোটগ্রহণে অংশ নিলাম না।” তিনি হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এ নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ভোট বর্জনের এই সিদ্ধান্ত কুমিল্লা-৪ আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে প্রভাবিত করতে পারে। এতে ভোটারের মাঝে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে এবং কিছু কেন্দ্রে ভোটগ্রহণে অংশ নেয়ার আগ্রহ কমে গেছে।
নির্বাচন কমিশন বা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা মনোনীত প্রার্থীর ভোট বর্জনকে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে বলে মনে করছেন।
এদিকে, নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল অপেক্ষাকৃত কম। কিছু কেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলের স্থানীয় কর্মী এবং পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনের অগ্রগতি মনিটর করছেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অনিয়ম এবং ভোট বর্জনকে কেন্দ্র করে দেবিদ্বার এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। আগামী কয়েক ঘণ্টায় এ পরিস্থিতি কেমন প্রভাব ফেলে, তা নির্বাচনের ফলাফল ও গণমাধ্যমের রিপোর্টে জানা যাবে।

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লা-৪ আসনে ভোট বর্জন জসীম উদ্দিনের
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা জসীম উদ্দিন বৃহস্পতিবার নির্বাচনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়ায় যথাযথ স্বচ্ছতা না থাকার কারণে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষপাতী নন।
জসীম উদ্দিন বলেন, “নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ নেই, তাই আমি ভোটগ্রহণে অংশ নিলাম না।” তিনি হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এ নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ভোট বর্জনের এই সিদ্ধান্ত কুমিল্লা-৪ আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে প্রভাবিত করতে পারে। এতে ভোটারের মাঝে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে এবং কিছু কেন্দ্রে ভোটগ্রহণে অংশ নেয়ার আগ্রহ কমে গেছে।
নির্বাচন কমিশন বা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা মনোনীত প্রার্থীর ভোট বর্জনকে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে বলে মনে করছেন।
এদিকে, নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল অপেক্ষাকৃত কম। কিছু কেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলের স্থানীয় কর্মী এবং পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনের অগ্রগতি মনিটর করছেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অনিয়ম এবং ভোট বর্জনকে কেন্দ্র করে দেবিদ্বার এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। আগামী কয়েক ঘণ্টায় এ পরিস্থিতি কেমন প্রভাব ফেলে, তা নির্বাচনের ফলাফল ও গণমাধ্যমের রিপোর্টে জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন