পটুয়াখালী-২ ও ৩ আসনের সব কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ, বাড়তি সতর্কতায় প্রশাসন
পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) ও পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, মামলা, বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলনের সংখ্যা। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই দুই আসনের প্রায় সব ভোটকেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর, কোথাও কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় কয়েকটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং পুলিশ কিছু ব্যক্তিকে আটকও করেছে।
পটুয়াখালী-২ আসনের বাউফল উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে অন্তত কয়েকটি সহিংস ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। স্থানীয়রা বলছেন, রাতের আঁধারে পোস্টার ছেঁড়া, মাইকিংয়ে বাধা, এমনকি সমর্থকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে। ফলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও এক ধরনের শঙ্কা কাজ করছে।
অন্যদিকে পটুয়াখালী-৩ আসনের গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলাতেও প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা, বহিরাগত সমাগম ও জাল ভোটের আশঙ্কার অভিযোগ তুলছে। এসব অভিযোগ ঘিরে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি মোতায়েনের প্রস্তুতি রয়েছে। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
জেলা পুলিশ সুপার বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি থাকলেও প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করা হলে ভোটাররা নিরাপদে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এখন সবার দৃষ্টি ভোটের দিন ঘিরে—শঙ্কার মধ্যেও যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়, সেটিই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পটুয়াখালী-২ ও ৩ আসনের সব কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ, বাড়তি সতর্কতায় প্রশাসন
পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) ও পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, মামলা, বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলনের সংখ্যা। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই দুই আসনের প্রায় সব ভোটকেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর, কোথাও কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় কয়েকটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং পুলিশ কিছু ব্যক্তিকে আটকও করেছে।
পটুয়াখালী-২ আসনের বাউফল উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে অন্তত কয়েকটি সহিংস ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। স্থানীয়রা বলছেন, রাতের আঁধারে পোস্টার ছেঁড়া, মাইকিংয়ে বাধা, এমনকি সমর্থকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে। ফলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও এক ধরনের শঙ্কা কাজ করছে।
অন্যদিকে পটুয়াখালী-৩ আসনের গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলাতেও প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা, বহিরাগত সমাগম ও জাল ভোটের আশঙ্কার অভিযোগ তুলছে। এসব অভিযোগ ঘিরে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি মোতায়েনের প্রস্তুতি রয়েছে। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
জেলা পুলিশ সুপার বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি থাকলেও প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করা হলে ভোটাররা নিরাপদে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এখন সবার দৃষ্টি ভোটের দিন ঘিরে—শঙ্কার মধ্যেও যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়, সেটিই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

আপনার মতামত লিখুন