হাতপাখা কর্মীর পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে
বরগুনা-১ আসনের ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়নে হাতপাখা প্রতীকের এক কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দাবি করেছে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা ওই কর্মীর পায়ে সাবল দিয়ে আঘাত করে পা ভেঙে দিয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করতে এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আহত কর্মীকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান অভিযোগ করেন, নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন এলাকায় তাদের নেতা-কর্মীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা হয় এবং কোনো ধরনের সহিংসতা সহ্য না করা হয়।
তবে এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসনের বক্তব্যও এখনো জানা যায়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতার অভিযোগ নতুন নয়—তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতিটি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপই পারে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে।
ঘটনার সত্যতা ও বিস্তারিত জানতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে স্থানীয়

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হাতপাখা কর্মীর পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে
বরগুনা-১ আসনের ৭নং ঢলুয়া ইউনিয়নে হাতপাখা প্রতীকের এক কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দাবি করেছে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা ওই কর্মীর পায়ে সাবল দিয়ে আঘাত করে পা ভেঙে দিয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করতে এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আহত কর্মীকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান অভিযোগ করেন, নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন এলাকায় তাদের নেতা-কর্মীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা হয় এবং কোনো ধরনের সহিংসতা সহ্য না করা হয়।
তবে এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসনের বক্তব্যও এখনো জানা যায়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতার অভিযোগ নতুন নয়—তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতিটি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপই পারে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে।
ঘটনার সত্যতা ও বিস্তারিত জানতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে স্থানীয়

আপনার মতামত লিখুন