দেড় বছর পর না ফেরার দেশে আরও এক জুলাই যোদ্ধা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দীর্ঘ দেড় বছর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন আরও এক জুলাই যোদ্ধা। নিহতের নাম আশরাফুল ইসলাম। বয়স ৩২ বছর।
আজ রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি, সকাল ৮টা ৩ মিনিটে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
পরিবার ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই আশরাফুল দীর্ঘদিন গুরুতর শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। একাধিকবার অস্ত্রোপচারসহ দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চললেও তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। অবশেষে দেড় বছর ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ের পর জীবনাবসান হয় তার।
আশরাফুলের বাড়ি ছিল [এলাকা উল্লেখযোগ্য হলে এখানে যোগ করা যাবে]। তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বলে জানিয়েছে স্বজনরা। তার মৃত্যুতে পরিবার এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
স্বজনদের অভিযোগ, আহত হওয়ার পর পর্যাপ্ত ও সময়মতো উন্নত চিকিৎসা পেলে হয়তো তাকে বাঁচানো সম্ভব হতো। তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সহায়তা দ্রুত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে আশরাফুলের মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। অনেকেই তাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একজন সাহসী যোদ্ধা হিসেবে স্মরণ করছেন।
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের তালিকা হালনাগাদ করে তাদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে এসব ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিও জানান তারা।
দীর্ঘ দেড় বছর পর আশরাফুলের মৃত্যু আবারও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একজন যোদ্ধার এমন পরিণতি রাষ্ট্র ও সমাজের জন্যও নতুন করে ভাবনার কারণ হয়ে উঠছে।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেড় বছর পর না ফেরার দেশে আরও এক জুলাই যোদ্ধা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দীর্ঘ দেড় বছর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন আরও এক জুলাই যোদ্ধা। নিহতের নাম আশরাফুল ইসলাম। বয়স ৩২ বছর।
আজ রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি, সকাল ৮টা ৩ মিনিটে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
পরিবার ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই আশরাফুল দীর্ঘদিন গুরুতর শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। একাধিকবার অস্ত্রোপচারসহ দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চললেও তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। অবশেষে দেড় বছর ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ের পর জীবনাবসান হয় তার।
আশরাফুলের বাড়ি ছিল [এলাকা উল্লেখযোগ্য হলে এখানে যোগ করা যাবে]। তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বলে জানিয়েছে স্বজনরা। তার মৃত্যুতে পরিবার এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
স্বজনদের অভিযোগ, আহত হওয়ার পর পর্যাপ্ত ও সময়মতো উন্নত চিকিৎসা পেলে হয়তো তাকে বাঁচানো সম্ভব হতো। তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সহায়তা দ্রুত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে আশরাফুলের মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। অনেকেই তাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একজন সাহসী যোদ্ধা হিসেবে স্মরণ করছেন।
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের তালিকা হালনাগাদ করে তাদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে এসব ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিও জানান তারা।
দীর্ঘ দেড় বছর পর আশরাফুলের মৃত্যু আবারও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একজন যোদ্ধার এমন পরিণতি রাষ্ট্র ও সমাজের জন্যও নতুন করে ভাবনার কারণ হয়ে উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন