চট্টগ্রাম বন্দরের আন্দোলনকারী ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল—এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আন্দোলনে জড়ানো ১৫ কর্মচারীর বিরুদ্ধে এবার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্দোলনে অংশ নেওয়া ওই ১৫ জন কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর আগে তাদের প্রশাসনিক শাস্তি হিসেবে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়েছিল।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আন্দোলনের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনে বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ওই কর্মচারীদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য যাচাই ও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তদন্তের মাধ্যমে কোনো অনিয়ম বা অসঙ্গতি পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে কর্মচারীদের একাংশের দাবি, এনসিটি বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে তারা শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশ করেছিলেন। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, কর্মস্থলে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখাই তাদের প্রধান দায়িত্ব।
ঘটনাটি নিয়ে শ্রমিক মহল ও সংশ্লিষ্ট মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ এটিকে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা রক্ষার উদ্যোগ হিসেবে দেখলেও, আবার অনেকে বিষয়টিকে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।
চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হওয়ায়, এই ইস্যু ঘিরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও তদন্তের দিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরের আন্দোলনকারী ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল—এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আন্দোলনে জড়ানো ১৫ কর্মচারীর বিরুদ্ধে এবার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্দোলনে অংশ নেওয়া ওই ১৫ জন কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর আগে তাদের প্রশাসনিক শাস্তি হিসেবে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়েছিল।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আন্দোলনের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনে বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ওই কর্মচারীদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য যাচাই ও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তদন্তের মাধ্যমে কোনো অনিয়ম বা অসঙ্গতি পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে কর্মচারীদের একাংশের দাবি, এনসিটি বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে তারা শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশ করেছিলেন। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, কর্মস্থলে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখাই তাদের প্রধান দায়িত্ব।
ঘটনাটি নিয়ে শ্রমিক মহল ও সংশ্লিষ্ট মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ এটিকে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা রক্ষার উদ্যোগ হিসেবে দেখলেও, আবার অনেকে বিষয়টিকে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।
চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হওয়ায়, এই ইস্যু ঘিরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও তদন্তের দিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন