চট্টগ্রাম বন্দর খুলছে আগামীকাল, বাধা দিলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি
চট্টগ্রাম, ৫ ফেব্রুয়ারি: দেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর আগামীকাল শুক্রবার সকাল থেকে পুনরায় খোলা হবে। বন্দরের সমস্ত অপারেশন কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে বলে জানিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।
নৌপরিবহন বিষয়ক উপদেষ্টা এম. সাখাওয়াত হোসেন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কেউ যদি বন্দরের কার্যক্রমে বাধা দেয়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “বন্দরের কার্যক্রমে বাধা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনীয় সব আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি আমদানি ও রপ্তানির মূল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বন্দরের বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছিল। আগামীকাল থেকে পুনরায় খোলার ফলে পণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উপদেষ্টা এম. সাখাওয়াত হোসেন আরও জানিয়েছেন, বন্দরের নিরাপত্তা ও কার্যক্রমে কোনো প্রকার বিঘ্ন ঘটলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নেবে। তিনি ব্যবসায়ীদেরও অনুরোধ করেছেন, তারা বন্দরের নিয়ম ও নিরাপত্তা মান বজায় রেখে কার্যক্রম চালাবেন।
চট্টগ্রাম বন্দরের পুনরায় খোলার ফলে দেশের আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নতুন উদ্যম ফিরে আসবে। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকল পর্যায়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দর খুলছে আগামীকাল, বাধা দিলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি
চট্টগ্রাম, ৫ ফেব্রুয়ারি: দেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর আগামীকাল শুক্রবার সকাল থেকে পুনরায় খোলা হবে। বন্দরের সমস্ত অপারেশন কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে বলে জানিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।
নৌপরিবহন বিষয়ক উপদেষ্টা এম. সাখাওয়াত হোসেন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কেউ যদি বন্দরের কার্যক্রমে বাধা দেয়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “বন্দরের কার্যক্রমে বাধা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনীয় সব আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি আমদানি ও রপ্তানির মূল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বন্দরের বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছিল। আগামীকাল থেকে পুনরায় খোলার ফলে পণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উপদেষ্টা এম. সাখাওয়াত হোসেন আরও জানিয়েছেন, বন্দরের নিরাপত্তা ও কার্যক্রমে কোনো প্রকার বিঘ্ন ঘটলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নেবে। তিনি ব্যবসায়ীদেরও অনুরোধ করেছেন, তারা বন্দরের নিয়ম ও নিরাপত্তা মান বজায় রেখে কার্যক্রম চালাবেন।
চট্টগ্রাম বন্দরের পুনরায় খোলার ফলে দেশের আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নতুন উদ্যম ফিরে আসবে। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকল পর্যায়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

আপনার মতামত লিখুন